পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথি শহরে রাম নবমীর বর্নাঢ্যা শোভাযাত্রা কাঁথি প্রভাত কুমার কলেজ ময়দানে শুরু করে ভবতারিণী মন্দির রাজাবাজার হয়ে পোস্ট অফিস মোড় এবং চৌরঙ্গী মোড় দিয়ে মেছোদা বাইপাসে সমাপ্ত হয়।সেখানে অংশগ্রহণকারীদের খিচুড়ি খাওয়ানো হয়।
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ আয়োজিত এই শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘ জেলা সভাপতি অমিতাভ মন্ডল, সুব্রত মন্ডল,ষরাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ সদস্য গৌরাঙ্গ খাঁড়া, কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারী,কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সোমনাথ রায়, নবীন প্রধান, বিধায়ক বিধায়ক অরূপ কুমার দাস, কাঁথি ১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অর্চনা পয়ড়্যা, সহ সভাপতি উমেশ প্রধান, কাঁথি নগর মন্ডলের সভাপতি রামচন্দ্র পন্ডা, কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সোমনাথ রায়,সহ সভাপতি অসীম মিশ্র, তাপস দোলাই, ভগবানপুরের বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি, কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সদস্য পবিত্র প্রধান ,অন্যান্য নেতৃত্ব। এই শোভাযাত্রা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ আয়োজিত শোভাযাত্রায় দক্ষিন কাঁথি বিধানসভার সমস্ত অঞ্চলের মানুষজন যোগদান করেন। এই উৎসবকে ঘিরে কাঁথি শহরে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যায়। নবমী উদযাপনে সম্প্রীতি ও পারিবারিক সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য ভগবান রামচন্দ্র দেবের জন্ম তিথিতে রামনবমী পালিত হলো বলে জানালেন কাঁথির জনজাগরণ এর প্রমুখ ও রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের জেলার কার্যবিবাহ পার্থ দাস। রামচন্দ্রের আদর্শকে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এই প্রয়াস। এই আদর্শকে যদি না তুলে ধরতে পারি তাহলে দেখা যাবে সমাজে ডাক্তার হয়েও সমাজবিরোধী হয়েছে। হিন্দুত্বের মধ্য দিয়ে সবাই সুখে থাকুক, সবাই ভালো থাকুক এই বার্তা আজকের এই শুভদিনে সমাজকে দেওয়া হলো। হিন্দুরা এক ছিল বলে বিশ্বগুরু ছিল। এই শুভদিনে রামচন্দ্রের নীতি নৈতিকতা আদর্শকে সমাজের ছড়িয়ে দেওয়ার জন্যই এই শুভ উদ্যোগ। সকলের তাগের প্রতি গেরুয়া পতাকা নিয়ে এই উৎসব পালন করল।সেই ট্যাগ যদি আমাদের মধ্যে না থাকে তাহলে হিন্দুত্ববোধ থাকবে না। সমাজকে সুস্থ সবল রাখার জন্যই এই শুভদিনে রামচন্দ্রের আদর্শের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হল।

