কথায় বলে প্রতিবার কখনো বয়স হয় না, ঠিক তেমনি চতুর্থতম বিশ্ব যোগা স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপে ১২ টি দেশের সাথে লড়াই করে দেশের নাম উজ্জ্বল করলো বাংলার একরত্তি কিশোর। ছিনিয়ে নিয়ে আসলো গোল্ড মেডেল।
তৃতীয় শ্রেণীর এই কিশোরের সাফল্যে খুশির জোয়ার নদীয়ার শান্তিপুরের মানুষের মধ্যে। আদিত্য হালদার, বয়স মাত্র ৮ বছর। বাবা কল্যাণ হালদার। দিন কয়েক আগে দিল্লির দীন দয়াল অডিটোরিয়ামে ফোর্থ ইউ ওয়াই এস এম ওয়ার্ল্ড যোগা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে নদীয়ার শান্তিপুরের মালোপাড়া এলাকার কিশোর আদিত্য হালদার। ১২ টি দেশের মধ্যে থাইল্যান্ড শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান সহ বিভিন্ন দেশ একইভাবে অংশগ্রহণ করে এই প্রতিযোগিতায়। সাব জুনিয়র গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করে আদিত্য হালদার, তারই সাফল্যে আদিত্যের হাতে তুলে দেওয়া হয় গোল্ড মেডেল, শংসাপত্র সহ চমক দারি ট্রফি। বাবা কল্যান হালদারের কথায়, তিনি সংসারের সমস্ত দায়িত্ব সামলে তার সন্তানকে সময় দিতেন যোগাসন অভ্যাসের জন্য। ছোট্ট বয়সে স্থানীয় অনুশীলন কেন্দ্রে অনুশীলন করতেন আদিত্য। এরপর থেকেই একের পর এক সাফল্য অর্জন করে সে। এখন বয়স তার মাত্র আট বছর, এই বয়সেই আদিত্য দেশের হয়ে যোগাসন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে উজ্জ্বল করলো দেশের নাম। স্বাভাবিকভাবে আদিত্যের এই কৃতিত্বে এখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ গোটা শান্তিপুর বাসী সহ পরিবার। ছোট্ট আদিত্যের ইচ্ছা আগামী দিনে এশিয়া যোগাসন প্রতিযোগিতায় আরও বড় সাফল্য অর্জন করার। সম্প্রীতি কয়েক বছর ধরে ভারতের একের পর এক প্রতিভা শীলরা বিদেশের মাটিতে গিয়ে অর্জন করছে সাফল্য, ক্রিকেট ফুটবল সহ বিভিন্ন অনুশীলনে শুধু জয়জয়কার। এবার তার ছোঁয়া বাংলার নদীয়ার শান্তিপুরে। এখন দেখার আগামী দিনে ছোট্ট আদিত্য তার সাফল্য দিক কোন দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে।

