বিবেকানন্দ বিজ্ঞান মিশন (বিজ্ঞান ভারতী) এবং ভারতের গর্ব ISRO-এর যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান।ছাত্রছাত্রীদের জন্য এক অনন্য সুযোগ করে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন বিবেকানন্দ বিজ্ঞান মিশন ও ISRO এর প্রতিনিধিবৃন্দ, গয়েশপুর নেতাজী বিদ্যামন্দিরের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা। শুক্রবার ছাত্র ছাত্রীরা উপলব্ধি করলো আকাশের দিকে তাকিয়ে চন্দ্রযান বা মঙ্গলায়নের নানা কথা। মহাকাশ কত দূরে। আজ ISRO এবং বিবেকানন্দ বিজ্ঞান মিশনের প্রচেষ্টায় সেই মহাকাশ বিজ্ঞানের বিস্ময় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে পৌঁছেছে মনে হলো ছাত্র ছাত্রীরা।
‘অন্তরীক্ষ মহাযান’ শুধু একটি প্রদর্শনী নয়, এটি একটি ভ্রাম্যমাণ গবেষণাগার।
এখানে রকেটের মডেল, উপগ্রহের প্রযুক্তি এবং মহাকাশে ভারতের বীরত্বগাথা দেখলো। ছাত্র ছাত্রীদের ভিড়ের মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে ভারতের ভবিষ্যতের কোনো মহান বিজ্ঞানী বা মহাকাশচারী।
বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি অনুভবের বিষয়। ISRO-এর এই উদ্যোগ কৌতূহল জাগিয়ে তুলুক। অজানাকে জানা এবং বড় হয়ে ভারতেরবিজ্ঞানচর্চাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা শুরু হলো এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে।
মহাকাশ বিজ্ঞান কেবল রকেট উৎক্ষেপণ বা গ্রহ নক্ষত্র দেখার বিষয় নয় ; এটিঅস্তিত্ব , ভবিষ্যৎ এবং প্রযুক্তির মূল ভিত্তি । বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ ও ক্যারিয়ার তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে সচেতনতা তৈরি করলে তাদের মধ্যে STEM ( SCIENCE, TECHNOLOGY, ENGINEERING AND MATH) শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ে ।
এছাড়াও পৃথিবীর সুরক্ষা প্রদান এবং মহাকাশ নিয়ে সমাজে অনেক ভ্রান্ত ধারণা বা কুসংস্কার দূরীকরণ সম্ভব ।
গয়েশপুর নেতাজী বিদ্যামন্দিরকে এই সুন্দর পরিকাঠামো প্রদান করে। বিজ্ঞান ভারতীকে বাংলার প্রান্তে প্রান্তে বিজ্ঞানের আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য।ডা: অতীন্দ্র নাথ মন্ডলের প্রচেষ্টা উল্লেখযোগ্য।

