আমাদের প্রতিনিধি সরাসরি চলে গেছিল হাওড়া স্টেশন এর নিউ কমপ্লেক্সের ১৭ নম্বর স্টেশনে। সেখানে মুম্বাই হাওড়া এক্সপ্রেস ট্রেন যে সময় আসার কথা ছিল তার পাঁচ ঘন্টা লেটে ঢুকলো হাওড়ায় ১৭ নম্বর স্টেশনে নিউ কমপ্লেক্সে। সেখানে প্রথমে আমরা দেখলাম অনেক অভিভাবক অভিভাবিকা ভোর পাঁচটা থেকে দাঁড়িয়ে আছে।
যারা সুদূর বনগাঁ ঠাকুরনগর থেকে এসেছিল নিউ কমপ্লেক্সের ১৭ নম্বর স্টেশনে। কারণ তাদের ছোট ছোট শিশুরা Sony এন্টারটেনমেন্ট চ্যানেলে অংশগ্রহণ করতে গেছিল নৃত্যের প্রতিযোগিতা সারা ভারত বর্ষের মধ্যে। অন্যান্য রাজ্য কে পিছনে ফেলে দিয়ে "দি হিডেন ফায়ার ডান্স ক্রিউ"সেকেন্ড রানার আপ এবং দু লক্ষ টাকা চেক নিয়ে জয়ধ্বনি দিয়ে এবং জয়ের পতাকা তুলে কচিকাঁচাদের সাথে কোরিওগ্রাফি নামলেন নিউ কমপ্লেক্সের ১৭ নম্বর স্টেশনে। প্রথমেই এক বিরল দৃশ্য দেখা গেল যে সব ছোট ছোট শিশুরা প্রায় দেড় মাস বাড়ির বাইরে ছিল যখন তারা নামল তাদের মাইরা চোখের জল ধরে রাখতে পারল না। পারলো না সে কচিকাঁচারা তারা কেউ মায়ের কোলে উঠে পড়ল আবার মাকে জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করল। এই কান্না জয়ের কান্না আনন্দের কান্না। আমাদের চ্যানেলের ক্যামেরার পর্দায় এই টিমের কোরিওগ্রাফি এই লং জার্নি এবং জয়ের পতাকা নিয়ে কি বললে হাওড়া নিউ কমপ্লেক্সের ১৭ নম্বর স্টেশনে। আসুন তাদের জয়ের সাথে আমাদেরও প্রথম আলোর বার্তার পর্দায় রইলো শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং শুভকামনা। হাওড়া নিউ কমপ্লেক্স থেকে রিপোর্ট অমল চ্যাটার্জি, প্রথম আলোর বার্তার পর্দা থেকে।

