বাঙ্গালীদের ১২ মাসে ১৩ পার্বণ আজ বাউনি রাত পোহালেই পৌষ সংক্রান্তি বাউনি তে অর্থাৎ পৌষ-পার্বণে।আজ বাউনি নারকেল খেজুরের পাটারি খেজুরের গুড় অত্যাধিক দাম ফলের সাধারণ মানুষ ঝুকছে মিষ্টির দোকানের দিকে তারা ক্ষীর পাটিসাপটা পুলি রেডিমেট কিনে নিয়ে যাচ্ছে বাড়িতে ।এবার বাউনিতে অর্থাৎ পৌষ-পার্বণে। চাকদহ ব্লকের চাঁদুড়িয়া এক নম্বর জিপির মলিচাগর গ্রামে।
পৌষ সক্রান্তি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে বাউনি বা পিঠেপুলির খাওয়ার দিন।আগে মাঠ থেকে ধান কেটে ঝেড়ে গোলায় রাখা হতো। সেই ধান গোলা থেকে বের করে ঢেঁকিতে কুটে বা চাল গুড়ো করে মায়েরা উঠানে গোবর দিয়ে নিকিয়ে আলপনা দিতো এবং উলুধ্বনি দিয়ে আবাহন করতো বাউনিকে ভোর রাতে। আজ সব অতিত সেই ঢেঁকি পাঁচটা গ্রাম খুঁজে একটা পাওয়া যায় না মেশিনের দাপটে।হারিয়ে যাচ্ছে ঢেঁকিতে পাট দিতে দিতে মা ঠাকুরমাদের সেই গান। সেই ধানের গোলা আর দেখা যায় না।বাঙালিদের বারো মাসে তেরো পার্বণ। বিশেষ করে পৌষ মাসের সক্রান্তি বেশ জাঁক জমক করে করে। নারকেল থেকে শুরু করে প্রত্যেক টি জিনিসের দাম বেশী তাহলেও নম নম করে করতে হয়। তেমনি বাউনি তে পিঠে তৈরী করে সামাজিকতা বজায় রাখে। চাঁদুরিয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন মলিচা গর গ্রামের সেলিমা মন্ডল মমতাজ মন্ডল ফিরোজা মন্ডল টুম্পা মন্ডল আজিজুল মন্ডল আলো মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে এই গ্রামে বসবাস করছি এ গ্রামে কোন বিভেদ নেই একে অপরের ঢেঁকিতে পাট দিয়ে সহযোগিতা করে আসছে। সারা পৌষ মাস অর্থাৎ সংক্রান্তি পর্যন্ত নতুন ধান ঢেঁকিতে পাট দিয়ে নবান্ন ও পৌষ সংক্রান্তি পালন করেন।

